আজ সোমবার ১২ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মোঃ কামরুজ্জামান ৩৬তম বিসিএস-এ পুলিশ ক্যাডার হয়েছেন। তার এই সফলতার গল্প লিখেছেন— এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।
মোঃ কামরুজ্জামানের জন্ম মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার দাইরপোল গ্রামে । তার পিতা আব্দুল কুদ্দুস মিয়া একজন অবসরপ্রাপ্ত মাদ্রাসার শিক্ষক এবং মা শেফালী বেগম গৃহিণী। শ্রীপুর এম.সি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোন কামরুজ্জামান। তারপর শ্রীপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়েই উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ চুকান। তারপর ২০০৭-০৮ সেশনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তি হন গণিত বিভাগে।
কামরুজ্জামান বলেন, “ছোটবেলা থেকেই সেনাবাহিনী আর পুলিশের পোশাকের প্রতি আলাদা একটা টান ছিল। তাই অনার্সের ৩য় Semester এ থাকতে ISSB-তে পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কিন্তু অল্পের জন্য ভাগ্য সহায় হয়নি। ISSB এর প্রস্তুতি নেয়ার জন্য একাডেমিক ফলাফল খারাপ করে ফেলি।
তখন আর পড়তে ভালো লাগত না। পরবর্তীতে পুলিশ অফিসার হবার স্বপ্ন দেখতে থাকি। আর সেই থেকেই বিসিএস প্রস্তুতিটা চালিয়ে যাই। আমার বড় ভাই ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডার। তাই ভাইয়ের অনুপ্রেরণা এবং তার নোট ও বইগুলো তখন থেকেই নিয়মিত পড়তাম।
ব্যাকচেঞ্চার স্টুডেন্ট ছিলাম। গ্রাজুয়েশন শেষ করেই S.I. তে চাকরি পাই, তারপরের মাসেই DGFI এর উপ-সহকারী পরিচালক পদে চাকরি পাই। অবশেষে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত হই।
★Facebook কে কাজে লাগাতাম: অনার্স শেষ করে BCS’র জন্য যখন চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়া শুরু করি তখন থেকেই অতি প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বাকী সময়টুকুই পড়তাম। পড়তে পড়তে যখন ক্লান্ত লাগত তখন Facebook-এ বিসিএস প্রস্তুতির বিভিন্ন পেইজ ও গ্রুপে ঢুঁ মেরে
প্রয়োজনীয় জিনিস সেইভ করে রেখে সেগুলো পড়তাম। English ও Math এর উপর বিশেষ জোর দিয়েছিলাম। মানচিত্র সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখার জন্য নিয়মিত মানচিত্র দেখতাম।
★লক্ষ্য যাদের বিসিএসঃ বর্তমানে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন তাদের মধ্যে যারা BCS ক্যাডার হতে চায় তাদের উচিত হবে একাডেমিক পড়ালেখা ঠিক রেখে দেশ বিদেশ সম্পর্কে জানা। নিয়মিত BBC শোনা, English ও বাংলা পত্রিকা পড়ার অভ্যাস করা। তাছাড়া ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত
Academic এর পাশাপাশি মৌলিক বইগুলো পড়তে পারলে BCS পরীক্ষায় কাজে দিবে। সফলতা পাওয়ার জন্য নিয়মিত পড়াশোনার বিকল্প নাই.
SI থেকে ASP হতে যেখানে ১৫ থেকে ২০ বছর সময় লাগতো। সেখানে সরাসরি ASP হওয়া এটা অনেক বড় সৌভাগ্য। যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি এজন্য সৃষ্টিকর্তাকে অশেষ ধন্যবাদ জানাই। স্বপ্ন দেখি একদিন বাংলাদেশের IGP হবো।
© এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।

মোছা. সাবিনা ইয়াসমিন ৩৩তম BCS উত্তীর্ণ হয়ে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে কর্মরত। পিতা... আরো পড়ুন

পটুয়াখালীর ছেলে প্রযুক্তি প্রকৌশলী জাহিদ সবুর। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জয় করলেন... আরো পড়ুন

তামান্না রহমান জ্যোতি, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন।... আরো পড়ুন

বলতে গেলে ছোট বেলা থেকেই ব্যবসা শুরু করি। শিক্ষা জীবনের পাশাপাশি... আরো পড়ুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স ও... আরো পড়ুন

স্বামী-স্ত্রী দুজনই চাকরি করেন একই ব্যাংকে। এবার একসঙ্গে বিসিএস ক্যাডার (পদার্থ... আরো পড়ুন