স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্তিকরণ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোড নম্বর যুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) এর একাধিক সূত্র জানিয়েছে মে মাসের মধ্যেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোড নম্বর যুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। তবে প্রজ্ঞাপন জারিতে দুই এক সপ্তাহের হেরফের হলেও শিক্ষকদের এমপিও কার্যকর চলতি অর্থবছর থেকেই হবে বলে জানিয়েছেন একাধিক কর্মকর্তা।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জানা গেছে, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। আরো দুইটি ধাপের কাজ বাকি আছে। খুব শিগগিরই সেসব কাজ শেষ হবে। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।
গত ২২ এপ্রিল বেসরকারি শিক্ষকদের একাধিক সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানানোর পর এ কার্যক্রম নতুন করে শুরু করা হয়েছে।
প্রায় এক দশক পর গত বছরের ২৩ অক্টোবর একযোগে দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে তালিকা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর ওই বছরের ১২ নভেম্বর ছয়টি এবং ১৪ নভেম্বর একটি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়। নতুন এমপিও পাওয়া এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের গত বছরের (২০১৯) জুলাই থেকে নির্ধারিত বেতন-ভাতা পাওয়ার কথা। কিন্তু এখনো এমপিও তালিকা প্রকাশ করলেও বেতন ছাড়ের আদেশ জারি করেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন গতকাল শুক্রবার বলেন, চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে সাধারণ ছুটি থাকায় এমপিওভুক্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে বন্ধের মধ্যে চলমান এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।